![]() |
বিজেপিতেই যোগ দিলেন মুকুল রায় |
দেখাগেছে এদিন নীল জহর কোট, সাদা পাজামা-পাঞ্জাবিতে মুকুল রায় যান বিজেপির সদর দপ্তরে। তাঁকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত ছিল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তাদের সামনে মুকুল রায় জানান, বিজেপিতে যোগদান তাঁর কাছে গর্বের বিষয়। বিজেপির সমর্থন ছাড়া তৃণমূলের উত্থান সম্ভব ছিল না। তৃণমূলের প্রতিষ্ঠার পর বিজেপির সঙ্গে ছিল ঘাসফুল শিবির। একসঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন বাংলায় ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। বাংলার মানুষ বিকল্প খুঁজছে, বিজেপির নেতৃত্বে ২০২১ সালে বাংলায় নতুন সরকার তৈরি হবে। ২০১৯ এর লোকসভা ভোটে রাজ্যের শাসক দলকে ধাক্কা দেবে বিজেপি। অমিত শাহর দলকে সার্টিফিকেট দিয়ে মুকুলের সংযোজন, বিজেপি সাম্প্রদায়িক দল নয়। কেন্দ্রীয় নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ বুঝিয়ে দেন কেন মুকুল রায় বিজেপির কাছে গুরুত্বপূর্ণ। রবিশঙ্কর প্রসাদ জানান, মুকুল রায় তৃণমূলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তৃণমূলের উত্থানে তাঁর ভূমিকা ছিল। সিপিএমকে হটাতে মুকুলের অবস্থান ছিল উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি রবিশঙ্করের সংযোজন, মুকুল রায়ের অন্তর্ভুক্তিতে বাংলায় বিজেপির বিস্তার হবে। বাংলায় বিজেপি হবে শক্তিশালী। দলের অন্য অংশকে বার্তা দিতে এই কেন্দ্রীয় নেতা জানান সবদিক বিচার করেই মুকুল রায়কে নেওয়া হয়েছে।
তবে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ মুকুল রায়ের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বিরোধিতা করেছিল। সারদা-নারদ কেলেঙ্কারির আঁচ যে নেতার গায়ে লেগেছে তাকে দলে নেওয়া কতটা লাভ তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তারা। এই শিবিরের চাপে বিজেপিতে মুকুলযোগ একসময় পিছিয়ে গিয়েছিল। পরে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বুঝতে পারে বাংলায় তৃণমূলকে হটাতে হলে যোগ্য সংগঠকের প্রয়োজন। সেই জায়গায় মুকুল রায়ের বিকল্প নেই। একদা তৃণমূলের তথাকথিক সেকেন্ড ইন কম্যান্ডকে দলে নেওয়ার ব্যাপারে ভূমিকা নিয়েছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। বৃহস্পতিবার ক্যানিংয়ের জনসভায় মুকুলের ভূয়সী প্রশংসা করে জল্পনা আরও উসকে দিয়েছিলেন কৈলাস। শুক্রবার তাঁর গাড়িতে চেপে আকবর রোডে বিজেপির সদর দপ্তরে যান মুকুল রায়। বিকেল সাড়ে পাঁচটায় বিজেপির মুকুল বৃত্ত সম্পূর্ণ হল।
সৌজন্যে : মিডিয়া
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন