![]() |
প্রয়াত প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি |
তাঁর সঙ্গে প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির অন্তরঙ্গতা একদিন বা দুদিনের নয়। ৪৫ বছরের বেশি সময় ধরে তাঁরা একসঙ্গে কাজ করেছেন। মৃত্যুর পর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে এমনটাই বললেন কংগ্রেস সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য। তাঁর মধ্যে রাজনৈতিক সৌজন্য বোধ ছিল অনেকটাই বেশি।
দলের রাজনৈতিক পরিস্থিতি খারাপ হলেও ঘাবড়াতেন না প্রিয়রঞ্জন। একটা উপায় খুঁজে বের করে নিতে পারতেন বলে জানিয়েছেন প্রদীপ ভট্টাচার্য। খারাপ পরিস্থিতিতেও এমন একটা পরিস্থিতি তৈরির ক্ষমতা ছিল যে, তাতে তাঁর বক্তব্য মানুষ বিশ্বাস করত বলে জানিয়েছেন তিনি।
প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির হাত ধরেই উত্থান হয়েছিল কংগ্রেস নেতা সোমেন মিত্রের। তা থেকেই বন্ধুত্বের সূত্রপাত। তারপর একসাথে পথ চলা। সেই প্রিয়জনকে হারিয়ে শোকে মুহ্যমান কংগ্রেস নেতা সোমেন মিত্র। প্রিয়রঞ্জনের মৃত্যুকে তিনি বর্ণনা করলেন, প্রিয়র মৃত্যু আমার কাছে পরিজন হারানোর সমান। মনে হচ্ছে আমার পরিবারের একজনকে হারালাম।
অসুস্থ থাকলেও প্রিয়দা ছিল। কিন্তু মৃত্যুর সংবাদে তিনি মর্মাহত। দ্বিতীয়বার তিনি পিতৃহারা হলেন। সোমবার এমনটাই জানালেন প্রিয়-সুব্রত জুটির সুব্রত মুখোপাধ্যায়।রাজনীতি কিংবা ব্যক্তিগত স্তর, প্রিয়াদা ছাড়া তাঁর বিশেষ কেউ ছিলেন না। প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির মৃত্যুর পর এমনটাই প্রতিক্রিয়া দিলেন, মধ্য ষাটের দশক থেকে সত্তরের দশকের ডানপন্থী ছাত্র-যুব আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া সুব্রত মুখোপাধ্যায়।
বঙ্গ রাজনীতির তারকা পতন হল সোমবার। ন-বছরের জীবনযুদ্ধে অবশেষে হার মানলেন প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি। সেইসঙ্গে কংগ্রেস হারাল সাম্প্রতিক সময়ের সবথেকে বড় তারকাকে। তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানালেন, বাংলা হারাল একজন কমপ্লিট পলিটিক্যাল ম্যানকে।
প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির মৃত্যুতে রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র পতন হয়েছে বলে ব্যাখ্যা করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। "স্বাভাবিকভাবে তাঁর মৃত্যুতে আমরা শোকাহত।" প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সিকে শেষ সম্মান জানাতে , বিধায়করা যাঁরা শেষকৃত্যে যেতে চান তাঁদের সুবিধার্থে , আগামীকাল দুপুর ১২ টার পর বিধানসভার কাজ মুলতুবি করার আবেদন অধ্যক্ষের কাছে জানিয়েছেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন