তিরুঅনন্তপুরম:
সেনাবাহিনী, সংবিধান ও গণতন্ত্র ছাড়াই দেশকে সুরক্ষিত রাখার পিছনে বড়
ভূমিকা রয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS)। এমনটাই মন্তব্য করলেন
সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি কেটি থমাস। সম্প্রতি, আরএসএসের একটিও
ট্রেনিং ক্যাম্পে উপস্থিত হয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
গত রবিবার কোটায়ামে আরএসএসের ট্রেনিং ক্যাম্পে উপস্থিত হন ওই প্রাক্তন বিচারপতি। সেখানে গিয়ে অবসরপ্রাপ্ত ওই বিচারপতি বলেন সঙ্ঘের কার্যকলাপের প্রশংসা করেন। তিনি মনে করেন, যেভাবে আরএসএস তার সদস্যদের শরীরচর্চার ট্রেনিং দেয়, কোনও হামলা হলে দেশের সুরক্ষায় তা কাজে লাগবে।
থমাস বলেন, ‘আমাকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় যে কিভাবে ভারতের মানুষ নিরাপদে রয়েছে? আমি বলব এই সুরক্ষার জন্য রয়েছে দেশের সংবিধান, গণতন্ত্র, সেনাবাহিনী আর আরএসএস।’ দেশকে জরুরি অবস্থা থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য আরএসএসের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
প্রাক্তন বিচারপতির মতে, নিরপেক্ষতার মানে শুধুমাত্র সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার কথা মাথায় রাখা নয়, বরং প্রত্যেকের নিজের পরিচয় ও ব্যক্তিত্ব বজায় রাখা। সংখ্যালঘুদের জন্য বিশেষ কমিশন তৈরিতেও আপত্তি আছে তাঁর। এর আগেও একাধিকবার আরএসএসের প্রশংসা শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে। তিনি জানিয়েছেন, ১৯৭৯ থেকেই তিনি আরএসএসের ভক্ত। কোঝিকোড়ে ডিস্ট্রিক্ট জাজ থাকাকালীন আরএসএসের সাধারণ জীবনযাপন তাঁকে আকর্ষণ করে। তিনি আরও বলেন, তিনি নিজে একজন ক্রিশ্চান এবং নিয়মিত চার্চে যান ও ক্রিশ্চান ধর্ম পালন করেন। সেইসঙ্গে আরএসএস সম্পর্কেও বিভিন্ন বিষয় শিখেছেন তিনি।
সোর্স : কলকাতা২৪x৭
গত রবিবার কোটায়ামে আরএসএসের ট্রেনিং ক্যাম্পে উপস্থিত হন ওই প্রাক্তন বিচারপতি। সেখানে গিয়ে অবসরপ্রাপ্ত ওই বিচারপতি বলেন সঙ্ঘের কার্যকলাপের প্রশংসা করেন। তিনি মনে করেন, যেভাবে আরএসএস তার সদস্যদের শরীরচর্চার ট্রেনিং দেয়, কোনও হামলা হলে দেশের সুরক্ষায় তা কাজে লাগবে।
থমাস বলেন, ‘আমাকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় যে কিভাবে ভারতের মানুষ নিরাপদে রয়েছে? আমি বলব এই সুরক্ষার জন্য রয়েছে দেশের সংবিধান, গণতন্ত্র, সেনাবাহিনী আর আরএসএস।’ দেশকে জরুরি অবস্থা থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য আরএসএসের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
প্রাক্তন বিচারপতির মতে, নিরপেক্ষতার মানে শুধুমাত্র সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার কথা মাথায় রাখা নয়, বরং প্রত্যেকের নিজের পরিচয় ও ব্যক্তিত্ব বজায় রাখা। সংখ্যালঘুদের জন্য বিশেষ কমিশন তৈরিতেও আপত্তি আছে তাঁর। এর আগেও একাধিকবার আরএসএসের প্রশংসা শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে। তিনি জানিয়েছেন, ১৯৭৯ থেকেই তিনি আরএসএসের ভক্ত। কোঝিকোড়ে ডিস্ট্রিক্ট জাজ থাকাকালীন আরএসএসের সাধারণ জীবনযাপন তাঁকে আকর্ষণ করে। তিনি আরও বলেন, তিনি নিজে একজন ক্রিশ্চান এবং নিয়মিত চার্চে যান ও ক্রিশ্চান ধর্ম পালন করেন। সেইসঙ্গে আরএসএস সম্পর্কেও বিভিন্ন বিষয় শিখেছেন তিনি।
সোর্স : কলকাতা২৪x৭
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন