যদিও সুরুর দিকে হাওয়া একটু অন্যরকম ছিল। খোদ মোদির রাজ্যেই চালিয়ে খেলেছিল রাহুল গান্ধীর কংগ্রেস। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অবশ্য আশঙ্কার মেঘ কেটেছে। গুজরাটে গড়রক্ষা করেছে শাসকদল। আর সে খবর সামনে আসতেই বারাণসীতে সেলিব্রেশনে মেতে উঠলেন মুসলিম মহিলারা।
অবশ্য গুজরাট তো বটেই, অন্যান্য রাজ্যেও বিজেপি-কর্মী সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের ছবি চোখে পড়ছে। চলছে মিষ্টি বিতরণ। উড়ছে গেরুয়া আবির। একের পর এক আসনে বিজেপির জয়ের খবর আসার সঙ্গে সঙ্গেই বেড়েছে উন্মাদনা। সেই সঙ্গে বারাণসীতেও দেখা গেল সেলিব্রেশনের ছবি। মোদির লোকসভা কেন্দ্রেই উদযাপনে মাতলেন মুসলিম মহিলারা। সেলিব্রেশনের অজস্র দৃশ্যের মধ্যেও এই ঘটনা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বরাবরই শাসকদলের বিরুদ্ধে হিন্দুত্বের তাস খেলার অভিযোগ ওঠে। গুজরাট নির্বাচনের প্রচার চলাকালীনও উঠে এসেছিল রাম মন্দির ইস্যু। মন্দিরে মন্দিরে ধরনা দেওয়া নিয়ে রীতিমতো প্রতিযোগিতা শুরু হয় নরেন্দ্র মোদি ও রাহুল গান্ধীর মধ্যে। কেউই কম যান না, তা বারংবার বুঝিয়ে দিয়েছেন দুই পক্ষের নেতারাই। যদিও ফলাফল দেখে স্মৃতি ইরানি কটাক্ষ করে বলেছেন, রাহুল মন্দিরে গিয়ে প্রার্থনা করেছেন, কিন্তু আশীর্বাদ পেয়েছে বিজেপি। এই আবহেই মুসলিম মহিলারা গুজরাটের জয়কে নিজেদের জয় হিসেবেই দেখছেন মুসলিম মহিলারা। কারণ অবশ্যই তিন তালাক রদ ও সংসদে বিল আনা।
যদিও গত আগস্টে দেশের সর্বোচ্চ আদালত তিন তালাককে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছিল। তারপরই বিল আনা হয়। তিন বছরের জেল-সহ মোটা অঙ্কের জরিমানার প্রস্তাব এনে এই বিল পেশ করা হয় সংসদের উভয় কক্ষে। একাধিক রাজ্য ইতিমধ্যেই বিলকে সমর্থন জানিয়েছে। সব ঠিকঠাক চললে খুব শিগগিরি আইনে পরিণত হবে তা। ফলে দীর্ঘ লড়াই অন্তে ন্যায়বিচার পাবেন মুসলিম মহিলা সমাজ। যদিও এই বিল নিয়ে মতবিরোধ আছে। একাংশের অভিযোগ, এই বিল নিয়ে রাজনীতি করছে বিজেপি। শরিয়তে হস্তক্ষেপ করছে মোদি সরকার। তাঁদের দাবি, মৌলবিদের সঙ্গে আলোচনা না করেই এই বিল আনা হয়েছে। যাতে মোদি সরকারের মুসলিম বিদ্বেষ স্পষ্ট। অন্যদিকে মুসলিম মহিলাদের একাংশ গোড়া থেকেই মোদির পাশেই ছিল এ ব্যাপারে। তিন তালাক রদ করতে দেশের শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষের কাছে বারংবার আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যতই হিন্দুত্ব নিয়ে রাজনীতির অভিযোগ থাকুক, এই ব্যাপারে মুসলিম মহিলারা মোদিকে অভিভাবক হিসেবেই মেনেছেন। সুপ্রিম কোর্টের রায় ও তারপর বিল পেশ হওয়ার ফলে খুশি সংখ্যাগরিষ্ট মুসলিম মহিলারা। এদিন বিজেপির জয় সেলিব্রেশনে সেই খুশিই ধরা থাকল।
সোর্স : সংবাদ প্রতিদিন
অবশ্য গুজরাট তো বটেই, অন্যান্য রাজ্যেও বিজেপি-কর্মী সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের ছবি চোখে পড়ছে। চলছে মিষ্টি বিতরণ। উড়ছে গেরুয়া আবির। একের পর এক আসনে বিজেপির জয়ের খবর আসার সঙ্গে সঙ্গেই বেড়েছে উন্মাদনা। সেই সঙ্গে বারাণসীতেও দেখা গেল সেলিব্রেশনের ছবি। মোদির লোকসভা কেন্দ্রেই উদযাপনে মাতলেন মুসলিম মহিলারা। সেলিব্রেশনের অজস্র দৃশ্যের মধ্যেও এই ঘটনা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বরাবরই শাসকদলের বিরুদ্ধে হিন্দুত্বের তাস খেলার অভিযোগ ওঠে। গুজরাট নির্বাচনের প্রচার চলাকালীনও উঠে এসেছিল রাম মন্দির ইস্যু। মন্দিরে মন্দিরে ধরনা দেওয়া নিয়ে রীতিমতো প্রতিযোগিতা শুরু হয় নরেন্দ্র মোদি ও রাহুল গান্ধীর মধ্যে। কেউই কম যান না, তা বারংবার বুঝিয়ে দিয়েছেন দুই পক্ষের নেতারাই। যদিও ফলাফল দেখে স্মৃতি ইরানি কটাক্ষ করে বলেছেন, রাহুল মন্দিরে গিয়ে প্রার্থনা করেছেন, কিন্তু আশীর্বাদ পেয়েছে বিজেপি। এই আবহেই মুসলিম মহিলারা গুজরাটের জয়কে নিজেদের জয় হিসেবেই দেখছেন মুসলিম মহিলারা। কারণ অবশ্যই তিন তালাক রদ ও সংসদে বিল আনা।
যদিও গত আগস্টে দেশের সর্বোচ্চ আদালত তিন তালাককে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছিল। তারপরই বিল আনা হয়। তিন বছরের জেল-সহ মোটা অঙ্কের জরিমানার প্রস্তাব এনে এই বিল পেশ করা হয় সংসদের উভয় কক্ষে। একাধিক রাজ্য ইতিমধ্যেই বিলকে সমর্থন জানিয়েছে। সব ঠিকঠাক চললে খুব শিগগিরি আইনে পরিণত হবে তা। ফলে দীর্ঘ লড়াই অন্তে ন্যায়বিচার পাবেন মুসলিম মহিলা সমাজ। যদিও এই বিল নিয়ে মতবিরোধ আছে। একাংশের অভিযোগ, এই বিল নিয়ে রাজনীতি করছে বিজেপি। শরিয়তে হস্তক্ষেপ করছে মোদি সরকার। তাঁদের দাবি, মৌলবিদের সঙ্গে আলোচনা না করেই এই বিল আনা হয়েছে। যাতে মোদি সরকারের মুসলিম বিদ্বেষ স্পষ্ট। অন্যদিকে মুসলিম মহিলাদের একাংশ গোড়া থেকেই মোদির পাশেই ছিল এ ব্যাপারে। তিন তালাক রদ করতে দেশের শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষের কাছে বারংবার আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যতই হিন্দুত্ব নিয়ে রাজনীতির অভিযোগ থাকুক, এই ব্যাপারে মুসলিম মহিলারা মোদিকে অভিভাবক হিসেবেই মেনেছেন। সুপ্রিম কোর্টের রায় ও তারপর বিল পেশ হওয়ার ফলে খুশি সংখ্যাগরিষ্ট মুসলিম মহিলারা। এদিন বিজেপির জয় সেলিব্রেশনে সেই খুশিই ধরা থাকল।
সোর্স : সংবাদ প্রতিদিন
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন