মোদির বিরূদ্ধে রাহুল গান্ধী কি বললেন? জয় শাহ তো ছিলেনই। আরও একটি লোপ্পা ক্যাচ উঠল ঠিক ভোটের আগে। তা ধরতে কসুর করলেন না রাহুল গান্ধী। রবিবার বনসকণ্ঠ জেলায় নির্বাচনী প্রচারে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপাণির বিরুদ্ধে দুর্নীতি নিয়ে আগাগোড়া আক্রমণ শানিয়ে গেলেন রাহুল। ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদির ঘোষণা— খাব না, খেতেও দেব না।
রবিবার রাহুলের প্রশ্ন, সেই প্রতিশ্রুতি কেন মনে রাখেননি মোদি। সম্প্রতি নিয়ম না মানায় বিজয় রূপাণির সংস্থা এইচইউএফ–কে ১৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে শেয়ার বাজার নিয়ামক সংস্থা সেবি। সেই নিয়ে রাহুল বলেন, ‘কয়েকদিন আগে সেবি আপনাদের মুখ্যমন্ত্রীকে বেইমান বলেছে। তাঁকে জরিমানা করা হয়েছে।’ মোদিকে আক্রমণ করে রাহুল বলেন, তাঁর স্লোগান বদলে গিয়েছে। এখন তাঁর মন্ত্র— আমি কিছু বলব না, কাউকে বলতেও দেব না।
আবার বিজেপি সভাপতি অমিত শাহর ছেলে জয় সাহর দুর্নীতি নিয়েও সরব হয়েছেন তিনি। ২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে জয় শাহর সংস্থার সম্পত্তি ৫০ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৮০ কোটি হয়েছে। গুজরাটের মানুষ জানেন, দুর্নীতি ছাড়া এটা সম্ভব নয়। দেশের যে কোনও রাজ্যের থেকে বেশি দর্নীতিগ্রস্ত গুজরাট। তাঁর কথায়, ‘সুরাতের ব্যবসায়ীরা আমায় বলেছেন, প্রতি দু’মিনিটে ঘুষের জন্য হাজির হয় পুলিস।’ অভিযোগ প্রসঙ্গে রূপাণি বলেছেন, ২২ সংস্থার বিরুদ্ধে শেয়ার নিষ্পত্তি আদালত (এসএটি) ২২ সংস্থাকে ৬.৯১ কোটি টাকা জরিমানা করেছে। তার মধ্যে রয়েছে তাঁর সংস্থা। জিএসটি নিয়ে এ দিনও সমালোচনা জারি রাখলেন রাহুল। তাঁর কথায়, জিএসটি–র সর্বোচ্চ হার ১৮ শতাংশে নামিয়ে না আনা পর্যন্ত তিনি আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। তাঁর মতে, গব্বর সিং ট্যাক্স কেবল মধ্যবিত্ত এবং গরিবদের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে।
সৌজন্যে : আজকাল
রবিবার রাহুলের প্রশ্ন, সেই প্রতিশ্রুতি কেন মনে রাখেননি মোদি। সম্প্রতি নিয়ম না মানায় বিজয় রূপাণির সংস্থা এইচইউএফ–কে ১৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে শেয়ার বাজার নিয়ামক সংস্থা সেবি। সেই নিয়ে রাহুল বলেন, ‘কয়েকদিন আগে সেবি আপনাদের মুখ্যমন্ত্রীকে বেইমান বলেছে। তাঁকে জরিমানা করা হয়েছে।’ মোদিকে আক্রমণ করে রাহুল বলেন, তাঁর স্লোগান বদলে গিয়েছে। এখন তাঁর মন্ত্র— আমি কিছু বলব না, কাউকে বলতেও দেব না।
আবার বিজেপি সভাপতি অমিত শাহর ছেলে জয় সাহর দুর্নীতি নিয়েও সরব হয়েছেন তিনি। ২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে জয় শাহর সংস্থার সম্পত্তি ৫০ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৮০ কোটি হয়েছে। গুজরাটের মানুষ জানেন, দুর্নীতি ছাড়া এটা সম্ভব নয়। দেশের যে কোনও রাজ্যের থেকে বেশি দর্নীতিগ্রস্ত গুজরাট। তাঁর কথায়, ‘সুরাতের ব্যবসায়ীরা আমায় বলেছেন, প্রতি দু’মিনিটে ঘুষের জন্য হাজির হয় পুলিস।’ অভিযোগ প্রসঙ্গে রূপাণি বলেছেন, ২২ সংস্থার বিরুদ্ধে শেয়ার নিষ্পত্তি আদালত (এসএটি) ২২ সংস্থাকে ৬.৯১ কোটি টাকা জরিমানা করেছে। তার মধ্যে রয়েছে তাঁর সংস্থা। জিএসটি নিয়ে এ দিনও সমালোচনা জারি রাখলেন রাহুল। তাঁর কথায়, জিএসটি–র সর্বোচ্চ হার ১৮ শতাংশে নামিয়ে না আনা পর্যন্ত তিনি আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। তাঁর মতে, গব্বর সিং ট্যাক্স কেবল মধ্যবিত্ত এবং গরিবদের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে।
সৌজন্যে : আজকাল
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন