যদিও ভবি ভোলবার নয়। যতই শান্তির বাণী শোনাও না কেন, মিসাইল উৎক্ষেপণ থেকে রোখা যাচ্ছে না উত্তর কোরিয়াকে। এবার সবথেকে শক্তিশালী ব্যালেস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণ করল কিম জং উনের দেশ। আশঙ্কার ছাপ গোটা বিশ্বে।
জানা যাচ্ছে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরেই ব্যালেস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণ করেছিল উত্তর কোরিয়া। কিম জং উনের সে আস্ফালন ভাল চোখে নেয়নি গোটা বিশ্ব।
দুনিয়া জুড়ে শান্তি প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে উত্তর কোরিয়ার এই কাজ যে রীতিমতো বিপজ্জনক, সে বিষয়ে একমত হয়েছিল বাকি দুনিয়া। উত্তর কোরিয়া যে আদতে সন্ত্রাসেই মদত দিচ্ছে, সে ঘোষণা গত সপ্তাহেই করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। এমনকী চিনের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার বাণিজ্যেও লাগাম টেনেছিল মার্কিন মুলুক। ঠিক তারপরই ক্ষমতার এই প্রদর্শন। আড়াই মাস চুপচাপ থাকার পর এখনও পর্যন্ত সবথেকে শক্তিশালী ব্যালেস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণ করল উত্তর কোরিয়া। জাপানের সমুদ্রে গিয়ে সেটি পড়ে। আন্তর্মহাদেশীয় দেশগুলির মধ্যে এ ঘটনা রীতিমতো ভয় সঞ্চার করেছে। মার্কিন মুলুকের জাপানি রাষ্ট্রদূতও এ ঘটনার কঠোর নিন্দা করেছেন।
স্পষ্টতই এ শুধু দেশের শক্তি পরীক্ষা নয়। বরং ট্রাম্পকে মুখের উপর জবাব দেওয়ার প্রক্রিয়া। বিজ্ঞানীরা বলছেন, উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতার সর্বোচ্চ প্রদর্শন এটাই। ধারে-ভারে এই মিসাইল বিপজ্জনক। জাপানকে লক্ষ্য করে গোড়া থেকেই মিসাইল উৎক্ষেপণ করেছে উত্তর কোরিয়া। এই উক্ষেপণেও জাপানের মূল ভূখণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারত। জাপানের প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে সে আশঙ্কার কথা খোলাখুলিই জানানো হয়েছে। মার্কিন মুলুক উত্তর কোরিয়াকে সন্ত্রাসে মদত ও যুদ্ধবাজ দেশ বলার পরই পালটা প্রতিক্রিয়া হিসেবে সবথেকে শক্তিশালী এই মিসাইল উৎক্ষেপণ। কিন জং উনের ক্ষমতা যে ঠিক কতটা তাই-ই জানান দেওয়া গেল গোটা বিশ্বকে। ইঙ্গিত বুঝতে অসুবিধা হয়নি মার্কিন প্রেসিডেন্টের। ইতিমধ্যেই বিবৃতি দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতি কী করে সামলাতে হয় তা তাঁর জানা আছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব জিম ম্যাটিসও জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়া যা করছে, তাতে সারা বিশ্বেই অমঙ্গলের ছায়া নেমে আসছে।
North Korea missile launch is the highest yet, poses worldwide threat, US Defense Secretary Mattis says: AFP
— ANI (@ANI) November 28, 2017
সৌজন্যে : সংবাদ প্রতিদিন
জানা যাচ্ছে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরেই ব্যালেস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণ করেছিল উত্তর কোরিয়া। কিম জং উনের সে আস্ফালন ভাল চোখে নেয়নি গোটা বিশ্ব।
দুনিয়া জুড়ে শান্তি প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে উত্তর কোরিয়ার এই কাজ যে রীতিমতো বিপজ্জনক, সে বিষয়ে একমত হয়েছিল বাকি দুনিয়া। উত্তর কোরিয়া যে আদতে সন্ত্রাসেই মদত দিচ্ছে, সে ঘোষণা গত সপ্তাহেই করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। এমনকী চিনের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার বাণিজ্যেও লাগাম টেনেছিল মার্কিন মুলুক। ঠিক তারপরই ক্ষমতার এই প্রদর্শন। আড়াই মাস চুপচাপ থাকার পর এখনও পর্যন্ত সবথেকে শক্তিশালী ব্যালেস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণ করল উত্তর কোরিয়া। জাপানের সমুদ্রে গিয়ে সেটি পড়ে। আন্তর্মহাদেশীয় দেশগুলির মধ্যে এ ঘটনা রীতিমতো ভয় সঞ্চার করেছে। মার্কিন মুলুকের জাপানি রাষ্ট্রদূতও এ ঘটনার কঠোর নিন্দা করেছেন।
স্পষ্টতই এ শুধু দেশের শক্তি পরীক্ষা নয়। বরং ট্রাম্পকে মুখের উপর জবাব দেওয়ার প্রক্রিয়া। বিজ্ঞানীরা বলছেন, উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতার সর্বোচ্চ প্রদর্শন এটাই। ধারে-ভারে এই মিসাইল বিপজ্জনক। জাপানকে লক্ষ্য করে গোড়া থেকেই মিসাইল উৎক্ষেপণ করেছে উত্তর কোরিয়া। এই উক্ষেপণেও জাপানের মূল ভূখণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারত। জাপানের প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে সে আশঙ্কার কথা খোলাখুলিই জানানো হয়েছে। মার্কিন মুলুক উত্তর কোরিয়াকে সন্ত্রাসে মদত ও যুদ্ধবাজ দেশ বলার পরই পালটা প্রতিক্রিয়া হিসেবে সবথেকে শক্তিশালী এই মিসাইল উৎক্ষেপণ। কিন জং উনের ক্ষমতা যে ঠিক কতটা তাই-ই জানান দেওয়া গেল গোটা বিশ্বকে। ইঙ্গিত বুঝতে অসুবিধা হয়নি মার্কিন প্রেসিডেন্টের। ইতিমধ্যেই বিবৃতি দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতি কী করে সামলাতে হয় তা তাঁর জানা আছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব জিম ম্যাটিসও জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়া যা করছে, তাতে সারা বিশ্বেই অমঙ্গলের ছায়া নেমে আসছে।
North Korea missile launch is the highest yet, poses worldwide threat, US Defense Secretary Mattis says: AFP
— ANI (@ANI) November 28, 2017
সৌজন্যে : সংবাদ প্রতিদিন
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন